টেকগ্রাউন্ড কনটেন্ট কাউন্সিলর : করোনাভাইরাস সংক্রান্ত ভুয়া ম্যাসেজ ভাইরাল হওয়ার হার ৭০ শতাংশ কমেছে হোয়াটসঅ্যাপে।

ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানোর কারণে দুই সপ্তাহ আগে ম্যাসেজ ফরোয়ার্ডের উপর লাগাম টানে ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং সার্ভিসটি। একবারে একটি ম্যাসেজ একজনকে বা একটি গ্রুপে ফরোয়ার্ডের নিয়ম তৈরি করে তারা।

ম্যাসেজ ফরোয়ার্ডে লাগাম টানার পর থেকে হোয়াটসঅ্যাপের ভাইরাল তথ্য ছড়ানোর হার কমতে শুরু করে। তবে এখনও ম্যানুয়ালি ম্যাসেজ ফরোয়ার্ডের সুযোগ আছে হোয়াটসঅ্যাপে।

করোনাভাইরাসের মহামারি ছড়ানোর পর অনেক ব্যবহারকারীই তাদের আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু বান্ধবদের কাছে স্বাস্থ্যগত তথ্য পাঠিয়েছেন। এসব তথ্যে বলা হয়েছিলো রসুন খাওয়া, ১৫ মিনিট পর পর গরম পানি পান করা বা চা পানে করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সে সময় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বিষয়টিকে ইনফো-ডেমিক হিসেবে আখ্যায়িত করে।

ভুয়া তথ্য বিশ্লেষক মারিয়ানা স্প্রিংয়ের মতে, কিছুদিন আগেও ভুয়া ম্যাসেজ ভাইরাল হওয়ার গ্রাফ রেখা অনেক উঁচুতে ছিলো। এখন তা কমতে শুরু করেছে। কারণ কোনো তথ্য পড়ার পর যখন মানুষ তা বাস্তবে ঘটতে দেখছে না তখন তার মনে সন্দেহ জাগছে। কোনো কিছু বিশ্বাস করার আগে সে দ্বিতীয় বার ভাবছে।

তবে লকডাউন তুলে নেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ও ভুয়া ম্যাসেজ ছড়াতে পারে। দ্বিতীয়বার এই ধাক্কা সমলাতে সতর্ক থাকতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here