টেক গ্রাউন্ড প্রতিনিধি :-  ইতিমধ্যেই সৌরজগৎ ছেড়ে বেড়িয়েছে মানুষের তৈরী যান। ভয়জার ১ এর হাত ধরে কয়েক বছর আগেই সৌরমন্ডলের গন্ডি অতিক্রম করেছিল মান সভ্যতা। কিন্তু সুর্যের দিকে কখনই যেয়ে দেখার সাহস দেখায়নি মানুষ। পাছে চোখে ‘ঝিলমিল’ লেগে যায়!

সুয্যি মামাকে ছুঁতে রওনা দিল পার্কার সোলার প্রোব

সূর্যের বিশাল উষ্ণতার জন্যই এতোদিন সূর্যের দিকে পাড়ি দেয়নি মানুষ। এবার সেই অসাধ্য সাশনের পথে হাঁটল মানব সভ্যতা। কয়েকদিন দেরির পরে রবিবার সূর্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিল নাসার সোলার প্রোব। সূর্যে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ চালাবে এই যান।

তবে সূর্যে পৌঁছাতে নাসার এই যানের অনেকটা সময় লাগবে। সূর্যে পৌঁছানোর আগে সাতবার শুক্রকে প্রদক্ষিণ করবে পার্কার সোলার প্রোব। শুক্রের চারপাশে ঘুরে পর্যাপ্ত শক্তি নিয়ে আবার সূর্যের পথে রওনা দেবে যানটি।

সূর্যের ভিতরে ঢুকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ শুরু করবে পার্কার সোলার প্রোব। এই সময়ে এই যানের গতি থাকবে ৪৩০,০০০ মাইল প্রতি ঘন্টা। যা মানুষের তৈরী কোন বস্তুর সর্বাধিক গতি।

পার্কার সোলার প্রোবের একদিকে একটি হিট শিল্ড ব্যবহার হয়েছে। এই দিকটি সবসময় সূর্যের দিকে মুখ করে থাকবে। তাই সূর্যের বিশাল তাপমাত্রার সামনেও যানের ভিতরে যন্ত্রপাতি সাধারণ উষ্ণতায় থাকবে। এই ধরনের অভিযানের অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে এই যান করটা সফলভাবে সূর্যে পৌঁছায় তা জানার জন্য অপেক্ষা করে থাকতে হবে।

তবে এই মিশন সফল হলে সূর্য সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য জানতে পারবে মানুষ। বিশেষ করে সূর্য কীভাবে কাজ করে তা কাছ থেকে জানার সুযোগ আসবে মানুষের সামনে। এর সাথেই সূর্যের গভীরে বিশাল উষ্ণতার কারণ আরও বিষদে জানার সুযোগ পাওয়া যাবে।

রবিবার সুর্যের উদ্দেশ্যে নাসার পার্কার সোলার প্রোব উৎক্ষেপন নিঃসন্দেহে মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকতে চলেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here